মাসুদ আলম
কুমিল্লায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা কমে শীতের প্রভাব বেড়েছে। সেই সাথে ঘনকুয়াশা দৃষ্টিসীমার শূন্য মিটারে নেমে আসতে পারে। যার কারণে চলতি সাপ্তাহ জুড়ে তাপমাত্রা কমে শীতের প্রভাব আরও বাড়বে। মাঝে কিছুটা তাপমাত্রা বাড়লেও মানুষের মাছে শীতের অনুভূতি থাকবে। কুমিল্লায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে ছিল ১০.০০ ডিগ্রি সিলসিয়ার তাপমাত্রার কাছাকাছি। আগামী সাপ্তাহ পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করবে। তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন, কুমিল্লা জেলা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মো. ইসমাইল ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, শুক্রবারের আগে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ায় প্রকৃতিতে তাপমাত্র কমেছে। বেড়েছে শীতের প্রভাব ও ঘন কুয়াশা। চলতি সাপ্তাহ জুড়ে সারারাত ও সকাল পর্যন্ত কুয়াশার প্রভাব থাকবে। ঘন কুয়াশা দৃষ্টিসীমার শূন্য মিটারে নেমে আসতে পাবে।
তিনি আরও জানান, দিনের বেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা না থাকা এবং কুয়াশার প্রভাবে সূর্যের আলো প্রকৃতিতে না পৌঁছানোর কারণে সন্ধ্যার পর থেকে জুড়ে বসতে থাকে শীত। রাত যত বাড়তে থাকে তাপমাত্রাও তত কমতে থাকে। শুরু হয় শীতে তীব্রতা।
কুমিল্লা আবহাওয়া অফিস সূত্রে আরও জানা যায়, শীতের এই মৌসুমে কুমিল্লয় সর্বনিম্ন ৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রা নেমে আসে। ৯.৩ থেকে ১০.১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠা নামা করলেও সর্বশেষ সোমবার সকালে তাপমাত্রা ছিল ১০-৮ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্তমার তাপমাত্রা আরও কমে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে। জানুয়ারি মাসে কুমিল্লায় সবচেয়ে বেশি শীত পড়ে। আশঙ্কা করা হচ্ছে জানুয়ারীতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। এই ঋতুতে দিনের তুলনায় রাত বড়। শৈত্যপ্রবাহ বা কুয়াশার কারণে সূর্যের কিরণ বাঁধাগ্রস্ত হয়। যার কারণে বিকেল থেকেই শীত অনুভব হতে শুরু করে।
এদিকে শীত ও কুয়াশা বাড়লে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েন রাস্তায় কর্মরত সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ। বিশেষ করে রিকশাওয়ালা, ফুটপাতের দোকানদার এবং রাস্তায় যাদের বসবাস তারা বিপদে পড়েছেন।