নিজস্ব প্রতিবেদক
অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থেকে বাঁচতে স্ত্রীকে দিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। শুক্রবার রাতে লাকসাম থানায় দৈনিক আজকের জীবনের স্টাফ রিপোর্টার জাফর আহম্মদসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি দায়ের করেন ইসরাত জাহান মুক্তা নামে এক নারী। তিনি লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুল আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী।
মামলার বাকি দুই আসামি হলেন, বাদি ইসরাত জাহান মুক্তার তৃতীয় স্বামী ইমন হোসেন ও শাহিনুর আক্তার জেসমিন।
এদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার তৃতীয় আসামি শাহিনুর আক্তার জেসমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবদুল আলীর বিরুদ্ধে করা নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামালার বাদি।
থানা সূত্রে জানা যায়, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ বে-আইনিভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি সরবরাহ পূর্বক বাদিনীর মানহানি ঘটানো অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় ভুক্তভোগি দৈনিক আজকের জীবনের স্টাফ রিপোর্টার জাফর আহম্মদ বলেন, মামলার বাদি মুক্তার স্বামীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংবাদ প্রকাশ এবং জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করায় হয়রানিমূলক এই মামলা দায়ের করেন বলে তার দাবি।
এই মামলার বাদি ইসরাত জাহান মুক্তা বলেন, আমার সাথে কোন সাংবাদিকের সাথে বিবাদ নেই। তাহলে কেন মামলা করেছেন প্রশ্নের জবাবে মুক্তা বলেন, থানায় মামলা করেছি। কি কারণে করেছি সেটা থানায় গিয়ে জেনে নিতে পারবেন বলে মুঠোফোন কেটে দেন।
লাকসাম থানার ওসি নিজাম উদ্দিন বলেন, লাকসাম উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দ্বিতীয় স্ত্রী একটি মামলা দায়ের করেছেন। এতে সাংবাদিকসহ বাদিনীর প্রথম স্বামীকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।