কান্দিরপাড়, কুমিল্লা | | বঙ্গাব্দ

বুদ্ধিজীবীদের নয়, কুমিল্লা চলবে কুমিল্লার মানুষের সিদ্ধান্তে -এমপি বাহার

author
Reporter

প্রকাশিত : Nov 21, 2020 ইং
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লা চলবে কুমিল্লার মানুষের সিদ্ধান্তে, বাহিরের কোন বুদ্ধিজীবীদের সিদ্ধান্তে নয় মন্তব্য করে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেছেন, গত ৪/৫ বছর যাবত কুমিল্লার টাউনহলের জরাজীর্ণ ভবনটি ভেঙ্গে নতুন একটি ভবন নির্মাণের জন্য কাজ করে আসছি। অত্যাধুনিক ডিজাইনের মাধ্যমে টাউনহলের ভবনটি নির্মাণের মধ্যদিয়ে কুমিল্লায় নতুন রূপ তৈরি হবে। কাজটি করার জন্য যখন আমি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি, তখন কুমিল্লার কিছু কুলঙ্গার সাংবাদিক তার বিরোধিতা শুরু করেছে। বিরোধিতায় থেমে না থেকে বাংলাদেশের কিছু প্রখ্যাত শিল্পী, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীদেরকে ভাড়া করেছে এবং ভুল বুঝিয়েছে। জানান দিয়েছেন আমি না কি টাউন হল ভেঙ্গে তার জায়গায় কমার্শিয়াল ভবন তৈরি করছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে ওই শিল্পী, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীরা চিলে কান নিয়ে গেছে বলে পাগল হয়ে গেছেন। পাগল হয়ে বাংলাদেশের ৫০জন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী টাউন হল রক্ষায় দাবি তুলেছেন। কুমিল্লার বীরচন্দ্র গণপাঠাগার রক্ষার দাবি করে একটি বিবৃতিও দিয়েছেন। তারা কে? ওনারা কি কখনও কুমিল্লা টাউন হলে এসে বক্তব্য দিয়েছেন, না অনুষ্ঠান করেছেন। তাহলে তারা কুমিল্লার কি সিদ্ধান্ত নিবেন। কুমিল্লার সিদ্ধান্ত নিবো আমরা। ওনাদের সিদ্ধান্তে কুমিল্লা চলবে না, কুমিল্লা চলবে কুমিল্লার মানুষের সিদ্ধান্তে।

শুক্রবার কুমিল্লা টাউন হল বীরচন্দ্র মিলনায়তনে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার আয়োজনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি বাহাউদ্দিন বাহার এসব কথা বলেন। 

অনুষ্ঠানের কুমিল্লা টাউন হল নিয়ে তিনি আরও বলেন, ২০৪১ এর বাংলাদেশ নাম থাকবে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও কনাডার সাথে। ৪১ এর বাংলাদেশে ১৯৩৩ সালের দালান কিভাবে চলবে। ২০৪১ এর উন্নত বাংলাদেশে পৌঁছতে হলে আমাদেরকে তাল মিলিয়ে সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। তারমধ্যে কুমিল্লা টাউন হলের ভবন অন্যতম। এই কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্রের জরাজীর্ণ দালান নিয়ে উন্নত বাংলাদেশে পৌঁছা সম্ভব নয়। তাই এই ভবনকে ভেঙ্গে নতুন টাউন হলের ভবন নির্মাণ প্রয়োজন। 

তিনি বলেন, এই জরাজীর্ণ ভবন ঠিক রাখতে প্রতিবছর আমার নিজের কাছ থেকে এক থেকে দুই লাখ টাকা দিতে হয়। এবারও বসার চেয়ার মেরামত রং ও দেয়ালে রঙের জন্য আড়াই লাখ টাকা দিয়েছি। রঙ দিয়ে উপরের অংশ ঠিক রাখা যায় কিন্তু দালান মজবুত করা যায় না। 

অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হকসহ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও রাজনৈতিক নেতৃবুন্দ।    




নিউজটি আপডেট করেছেন : Reporter

কমেন্ট বক্স
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ ভয়েস অফ কুমিল্লা ডট কম
সকল কারিগরী সহযোগিতায় SoftioLab