
নিজস্ব প্রতিবেদক
গণপরিবহন, স্কুল, কলেজ এবং অফিস, আদালত ছাড়াও বর্তমানে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নারীরা যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। হয়রানির শিকার হয়ে নারীরা মুখ খুলে অভিযোগ করার মাধ্যম পাচ্ছেন না। যার কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছেন। অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ করার মতো জায়গা তৈরি করে দিতে হবে। প্রত্যেক অফিসে যৌন হয়রানীর বিরুদ্ধে কমিটি গঠন প্রয়োজন। সাথে অভিযোগ বক্স রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া যেসব নারী বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যৌন হয়রানীর শিকার হয়ে অভিযোগের সঠিক মাধ্যম পান না। তাদের জন্য অনলাইনে অভিযোগ করার মতো অনলাইন কমপ্লেইন বক্সে’র সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। মঙ্গলবার এইড-কুমিল্লার সিজিবিভি প্রকল্পে যৌনহয়রানী নীতিমালা শুভ উদ্ভোধন ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা সম্পর্কে অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রতিদিনই কোন না কোন মাধ্যমে আমার কাছে অনেক যৌন হয়রানির অভিযোগ আছে। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্ব স্ব এলাকার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনার ভূমিকে (এসিল্যান্ড) দায়িত্ব দিয়ে থাকি। যৌন হয়রানি ঘটনা জিরো টলারেন্সে নামিয়ে আনতে সমাজের সবাইকে মানসিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সংক্রান্ত নীতিমালা সম্পর্কে অবহিতকরণ সভায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ নুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সহকারী কমিশনার শামীম আরা, ইউইন ওমেন প্রকল্প বিশ্লেষন ইফয়াত আরা ইভা ও ক্রিস্টিয়ান ইউড জেন্ডার এবং ইনক্লুশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফারহানা আফরোজ।
অনুষ্ঠানে উপস্থপনা করেন এইড কুমিল্লার নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া বেগম শেফালী।