নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লার নানুয়ার দীঘির পাড়ে পূজামণ্ডপে বুধবারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ, দাউদকান্দি ও নগরীতে প্রতীমা ভাংচুর, হামলার ঘটনায় সোমবার পর্যন্ত জেলার তিনটি থানায় আটটি মামলা হয়েছে। এই আট মামলায় এজাহারনামীয় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের জামায়াত সমর্থিত তিন কাউন্সিলরসহ অজ্ঞাত অন্তত ৮০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এরমধ্যে পুলিশ বাদি হয়েছেন ছয় মামলায়। এদিকে নগরীর কোতয়ালী থানায় র্যাবের ডিএডি এবং দাউদকান্দি থানায় গৌরাঙ্গ ভৌমিক নামে এক ব্যক্তি বাদি হয়েছেন। এখন পর্যন্ত আট মামলায় পুলিশ ও র্যাব ৪৪ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দীঘির উত্তরপাড়ে গত বুধবার সকালে একটি পূজামÐপের ঘটনার পর জেলার বিভিন্ন স্থানে হামলা, ভাংচুরসহ নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় পুলিশ ও র্যাব বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় পৃথক পাঁচটি মামলা করে। এ চারটি মামলায় ৬২ জনকে এহাজারনামীয় ও ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। এছাড়া জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় দুইটি মামলায় ৩০জনকে এজাহারনামীয় ও ১৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা এবং দাউদকান্দি মডেল থানার একটি মামলায় ৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। এসব মামলার মধ্যে কোতোয়ালি মডেল থানাপুলিশ ৩৯ জনকে ও সদর দক্ষিণ মডেল থানাপুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে। দাউদকান্দির মামলায় এখন পর্যন্ত কোন গ্রেফতার নেই।
সোমবার কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম তানভীর আহমেদ বলেন, পূজামণ্ডপে হামলা ও প্রতীমা ভাংচুরের ঘটনায় কুমিল্লা কোতয়ালী, সদর দক্ষিণ ও দাউদকান্দি থানায় পৃথকভাবে আটটি মামলা হয়েছে। এই আট মামলায় এখন পর্যন্ত কোতয়ালীতে ৪০ এবং সদর দক্ষিণে ৪জন মোট ৪৪জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।